মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে অনিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশে রাসায়নিক সারের আমদানি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। দেশে বছরে প্রায় ৬০ লাখ টন সার প্রয়োজন হয়, যার বড় অংশই আমদানির উপর নির্ভরশীল।
গ্যাস সংকটের কারণে দেশের ছয়টি ইউরিয়া কারখানার মধ্যে পাঁচটি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় দেশি উৎপাদন কমেছে। তবে কৃষি মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, চলতি বোরো মৌসুমের জন্য পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
সরকার ডিএপি, ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি সার আমদানি বাড়ানোর জন্য চীন, সৌদি আরব, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে বিকল্প রুট এবং চুক্তি আলোচনা করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম ইতোমধ্যেই বেড়েছে, যা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বাড়াতে পারে।
ট্যাগ:
#বাংলাদেশ #সার_সংকট #মধ্যপ্রাচ্য_সংঘাত #ডিএপি #ইউরিয়া #কৃষি #সারের_যোগান
আপনি চাইলে আমি এটাকে

