ইরানের নৌশক্তি ধ্বংস করতে পারেনি মার্কিন বাহিনী, স্বীকার করল পেন্টাগন!
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এবার নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের একটি স্বীকারোক্তি। সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে নিষেধাজ্ঞা, নজরদারি ও সামরিক চাপের মুখে থাকলেও ইরানের নৌক্ষমতা পুরোপুরি দুর্বল করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে ইরানের দ্রুতগতির যুদ্ধনৌকা, ড্রোন প্রযুক্তি এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সরাসরি বড় যুদ্ধজাহাজের উপর নির্ভর না করে “অসম যুদ্ধকৌশল” ব্যবহার করছে। ছোট কিন্তু দ্রুতগতির নৌযান, সমুদ্রভিত্তিক ড্রোন এবং উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হচ্ছে। পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নেও বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটে ইরানের উপস্থিতি এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং কোনো সংঘাত শুরু হলে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে।
এদিকে এই স্বীকারোক্তিকে নিজেদের কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখছে তেহরান। ইরানি সামরিক কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের পশ্চিমা চাপ সত্ত্বেও তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আগের চেয়ে আরও আধুনিক হয়েছে। বিশেষ করে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন, সাবমেরিন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ইরানকে নতুন শক্তি দিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সংঘাত না হলেও সামরিক প্রতিযোগিতা দ্রুত বাড়ছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
#Iran #IranNavy #Pentagon #USvsIran #MiddleEast #HormuzStrait #MilitaryPower #Geopolitics

