সংবাদ শিরোনাম:
পানির তলায় ইরানের লুকোনো শক্তি, বদলে যাচ্ছে কি যুদ্ধের সমীকরণ?
বিস্তারিত (৩ মিনিট):
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ইরান-এর গোপন নৌ শক্তি—তাদের সাবমেরিন বাহিনী। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, দৃশ্যমান শক্তির চেয়ে পানির নিচের এই অদৃশ্য সক্ষমতাই ভবিষ্যৎ সংঘর্ষে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
ইরানের নৌবাহিনীর অন্যতম প্রধান শক্তি তাদের বিভিন্ন ধরনের সাবমেরিন। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ার তৈরি Kilo-class সাবমেরিন, দেশীয়ভাবে তৈরি Fateh-class, এবং ছোট আকারের Ghadir-class মিনি সাবমেরিন। বিশেষ করে এই মিনি সাবমেরিনগুলোই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। কারণ এগুলো খুব কম শব্দ তৈরি করে এবং সহজে শনাক্ত করা যায় না।
ভৌগোলিক দিক থেকেও ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। হরমুজ প্রণালী—যেখান দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়—সেই পথের কাছেই তাদের নৌ ঘাঁটি। এই অগভীর জলপথে বড় যুদ্ধজাহাজের তুলনায় ছোট সাবমেরিন অনেক বেশি কার্যকর। ফলে যেকোনো সময় লুকিয়ে থেকে আঘাত হানার সুযোগ থাকে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান সরাসরি বড় শক্তির সঙ্গে সমানভাবে যুদ্ধ করতে না পারলেও তারা “অসম যুদ্ধ কৌশল” ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, কম শক্তি নিয়েও কৌশলগতভাবে বড় ক্ষতি করার পরিকল্পনা। সাবমেরিন দিয়ে হঠাৎ টর্পেডো হামলা বা সমুদ্রপথে মাইন বসানো—এসবই এই কৌশলের অংশ।
এই পরিস্থিতিতে বড় শক্তিগুলোও সতর্ক রয়েছে। কারণ, সরাসরি যুদ্ধ না হলেও যদি সমুদ্রপথ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে, তাহলে বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ইরানের পানির নিচের এই লুকানো শক্তি সরাসরি ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে না দিলেও যুদ্ধের ধরনকে আরও জটিল ও অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।
#iran #iranmilitary #submarine #kalbela

